OrdinaryITPostAd

আমাদের সংস্কৃতিতে জন্মদিন পালন

আমাদের সংস্কৃতিতে জন্মদিন পালন

 ওয়াহেদুজ্জামান আহমেদ

বর্তমান সমাজে জন্মদিন পালন করা একধরনের আধুনিকতায় পরিণত হয়েছে। মুসলমানরাও যেন অত্যাবশ্যকীয় কালচারে পরিণত করেছে। হ্যাপী বার্থ ডে টু ইউ (Happy Birth Day To You)- কারো জন্মদিনে আমরা এভাবে উইশ করে থাকি। অথচ এটা সম্পূর্ণ ইসলাম পরিপন্থি কাজ। সত্যিকার অর্থে এটা কোন মুসলিম কালচার হতে পারে না।

ইসলামে এর কোনো ভিত্তি নেই। জন্মদিন পালনের গুরুত্ব যদি ইসলামে থাকতো, যারা রাসূল (সা) কে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতেন, সেই সাহাবায়ে কেরাম (রা), তাবেঈ, তাবে তাবেঈনদের জীবনে এটা পালনের দৃষ্টান্ত পাওয়া যেত।

ইসলামের দৃষ্টিতে জন্মদিবস ও মৃত্যুদিবস পালন করা এবং এ উদ্দেশ্যে যে কোন ধরনের আনুষ্ঠানিকতা পালন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও বিদায়াত।

অথচ আমাদের মুসলিম সমাজে আজ জন্মদিন পালনের প্রবণতা এতটাই বেড়ে গেছে যে, ধনী হোক আর গরিব হোক, জন্মের দিনটা ঘটা করে পালন না করলে যেন মনে শান্তিই আসে না।

২৫ শে ডিসেম্বর, বড় দিন। খ্রিস্টানরা যেই দিনটিকে যিশু খ্রিস্ট্রের জন্মদিন বলে পালন করে, আসলে আগেকার খ্রিস্টানরা যিশুর জন্মদিন পালন করতো না। কারণ, তারা মনে করতো জন্মদিন উদযাপন করা হলো প্যাগানদের প্রথা। [The World Book Encyclopedia, Volume 3, Page 416.]

কেক কেটে জন্মদিন পালনের উদ্ভব হয় পশ্চিমা দেশগুলোতে। আমাদের সমাজে একটা ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে যে- জন্মদিন ইহুদি-খ্রিস্টানদের প্রথা।

খ্রিস্টানরা এই প্রথার প্রচলন তো করে-ই নি বরং পূর্ববর্তী খ্রিস্টানরা জন্মদিন উদযাপন করাকে ঘৃণা করতো। তারা বলতো, পাপীরাই কেবল তাদের জন্মদিনে আনন্দ উদযাপন করে। [Origen. In Levit Hom viii in migne P.G. xii, page 495]

এমনকি বিখ্যাত ইহুদি বিশ্বকোষ Encyclopedia Judacia অনুযায়ী, চিরাচরিত ইহুদি সংস্কৃতিতে জন্মদিন উদযাপনের রীতি খুঁজে পাওয়া যায় না। [Encyclopedia Judacia, Volume 4, Page 495.]


ইতিহাসে জন্মদিন উদযাপন করতো কারা?

জন্মদিন উদযাপনের সবচেয়ে প্রাচীন তথ্য পাওয়া যায় বাইবেলে। কিন্তু কে সর্বপ্রথম জন্মদিন উদযাপন করে এই তথ্য ইতিহাসে অনুপস্থিত। বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্ট অনুযায়ী, ফিরাউন তার জন্মদিন উপলক্ষে একটি 'বার্থডে পার্টি'র আয়োজন করে। [Bible, Genesis 40:20-22.]

জন্মদিনের সূচনা হয় ফিরাউন থেকে। বাইবেলের বুক অব জেনেসিসে এসেছে, 'তৃতীয় দিনটা ছিল ফিরাউনের জন্মদিন। ফিরাউন তার সব দাসদের জন্য ভোজের আয়োজন করলেন। সেই সময় ফিরাউন রুটিওয়ালা ও খাদ্যদ্রব্য পরিবেশককে কারাগার থেকে মুক্তি দিলেন।' (আদি পুস্তক: ৪০২)

প্রাচীন গ্রীক, রোম, পারস্য, চীনেও জন্মদিন উদযাপন করা হতো। ইতিহাসবিদ হেরোডোটাস পারস্যের ইতিহাস লিখতে গিয়ে লিখেন, পারস্যের লোকেরা নিজেদের জন্মদিনকে ঘটা করে উদযাপন করতো। [The Lore of Birthday, Ralph Linton, Page, 12]

জন্মদিনের ইতিহাস নিয়ে একটা বিখ্যাত বই লিখা হয়েছে। যার নাম- Adelin Linton Gi The Lore of Birthday। -এই বইতে লেখক লিখেছেন/জন্মদিনের সাথে জৌতিষশাস্ত্রের একটা গভীর সম্পর্ক আছে। [The Lore of Birthday, Ralph Linton, Page, 53]

কারণ, আগেকার গণকরা মানুষের জন্ম তারিখের হিসাব অনুযায়ী ভাগ্য গণনা করতো। ভাগ্য গণনা করার জন্য তাদের জনন্ম তারিখ জানার প্রয়োজন হতো। এজন্য মানুষ জন্মদিন মনে রাখতো যাতে তার ভাগ্য গণনা করা যায়। এজন্যে পত্রিকায় দেখা যায়- প্রতিদিনের যে রাশিফল দেয়, সেটাও তো নির্ভর করছে জন্ম তারিখের উপর। এমনকি ফেসবুকেও এটার ট্রেন্ড আছে, তোমার জন্ম এই তারিখে, তো তুমি এই হবে সেই হবে ইত্যাদি। গণকের কাছে যাওয়া নিয়ে ইসলামের নির্দেশনা হচ্ছে- বাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন, যে গণকের কাছে গিয়ে কোনো প্রশ্ন করলো তার চল্লিশ দিনের ইবাদত কবুল হবে না। [সহিহ মুসলিম: ৫৭১৪/

- আর যে গণকের কথা বিশ্বাস করবে সে কাফির হয়ে যাবে। তারগিব তারহিব: ৪৫৮৯)

'তাই জন্মদিন উদযাপনের পুরো অনুষ্ঠানের সাথে প্যাগানদের সংস্কৃতি জড়িত।' অর্থাৎ মোমবাতি জ্বালানো, কেক কাটা, উইশ করা, গিফট দেওয়া সবগুলোই। বার্থডে পার্টি, শুভেচ্ছা, জন্মদিনের উপহার দেওয়া এগুলোর উদ্দেশ্য হলো অশুভ আত্মা (Evil Spirit) থেকে আত্মরক্ষা। Funk and Wangalls Dictionary of Folklore, Volume 1, Page 144.]

আগে মনে করা হতো, অশুভ আত্মা থেকে আত্মরক্ষা করার একটা মাধ্যম হলো জন্মদিন অনুষ্ঠানে পশু বলি দেওয়া।

জন্মদিন অনুষ্ঠানের মোমবাতি জ্বালানোর প্রচলন শুরু করে গ্রীকরা। গ্রীকরা প্রতি মাসের ছয় তারিখে তাদের দেবী Artemis (চন্দ্র এবং শিকারের দেবী) এর জন্যদিন উপলক্ষে গোলাকার কেক বানাতো যা দেখতে পূর্ণিমার চাঁদের মতো মনে হতো এবং মন্দিরের বেদীতে মোমবাতি জ্বালাতো, যা দেখলে মনে হয় চাঁদের মতো দীপ্তি ছড়াচ্ছে। [The Lore of Birthday, Ralph Linton, Page 51-52]

আর মোমবাতিকে মনে করা হতো সৌভাগ্যের প্রতীক। [The Lore of Birthday, Ralph Linton, Page 18-20]

এজন্য অনেকসময় আমরা দেখি কারো জন্মদিন উপলক্ষ্যে যততম জন্মদিন ততোটি মোমবাতি জ্বালানো হয়। এক ফুঁ দিয়ে সবগুলো মোমবাতি নিভাতে পারলে মনে করা হয় এটা সৌভাগ্য। অথচ না বুঝে কত বড় কুফরী করা হচ্ছে। শুধুমাত্র একটা জন্মদিন অনুষ্ঠানের পেছনে এতো এতো পৌত্তলিক সংস্কৃতি জড়িয়ে আছে যা আমরা অনেকেই জানি না।


জন্মদিনে কি শুধু উইশ করাও যাবে?

আসলে এই শুভেচ্ছা জানানোর পেছনেও কাহিনী আছে। জন্মদিন অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা জানানোর প্রচলনের সাথে জাদুবিদ্যার একটা সম্পর্ক আছে। মনে করা হতো, জন্মদিন অনুষ্ঠানে একজনের আত্মা তার কাছে ফিরে আসে। সেই অনুষ্ঠানের শুভকামনার উপর তার ভবিষ্যৎ এর ভালো-মন্দ নির্ভর করছে। সেদিন যদি সবাই তাকে শুভেচ্ছা জানায় তাহলে আত্মা সেই অনুযায়ী ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে, আর সবাই যদি অশুভ কামনা করে তাহলে আত্মা সেই অনুযায়ী ভাগ্য নির্ধারণ করবে। এজন্যই তো জন্মদিন অনুষ্ঠানে শত্রুদের নিমন্ত্রণ করা হয়না, কারণ তারা অশুভ কামনা করলে হিতে বিপরীত হবে। [The Lore of Birthday, Ralph Linton, Page 12]

অনেকে মনে করেন আমরাতো না জেনেই এগুলো পালন করছি, আর আমরাতো প্যাগানদের মতো এতো কিছু মাথায় নিয়ে উদযাপন করছি না'। তার উত্তরে রবার্ট ব্রাউনিং এর মতো বলা যায়- ignorance is not innocence but sin. (অজ্ঞতাও একধরনের পাপ)।


জন্মদিন একধরনের দিবস পূজা!

আমরা কাউকে যদি দু'আ করতে চাই তাহলে সেটা কেনই বা তার জন্মদিনেই হতে হবে? একদিন আগে পরে নয় কেন? কাউকে যদি তার জন্যদিনে 'তোমার জীবন সুন্দর হোক, আল্লাহ তোমার ভালো করুন' না বলে পরের দিন বলা হয় সে কিন্তু রাগ করবে। সে বলবে গতকাল (আমার জন্মদিনে) কেন তখন এটা বলো নি।


Taken for granted?

টেকেন ফর গ্রান্টেড। আজকাল এমনি এমনি বন্ধুদেরকে ভালোবেসে উপহার দেয়ার কালচার খুব একটা লক্ষ্য করা যায়। না। জন্মদিন অনুষ্ঠানে দিতে হয় বলেই দেয়। আবার, এক বন্ধু তার জন্মদিনে গিফট পেলে সে আনন্দিত না হয়ে মনে করে, তার জন্মদিন উপলক্ষ্যে তো গিফট পাওয়ারই কথা। সেই আবার তার বন্ধুর জন্মদিনে তাকে গিফট দিয়ে পুষিয়ে নেয়। একবার একটি ঘটনা ঘটলো- এক বন্ধু আরেক বন্ধুর জন্মদিনে একটা দামি ঘড়ি উপহার দিলো। তার যখন জন্মদিন আসলো, তখন তার ঐ বন্ধু তাকে একটা টি-শার্ট দিলো। কিন্তু ঐ বন্ধু টি-শার্ট পেয়ে খুশি হতে পারলো না। বরং সে কম্পেয়ার করছে যে- সে কী দিলো, আর তার বন্ধুটি তাকে কী দিলো। জন্মদিনে এই রকম গিফট দেওয়া একধরনের Conditional Gif- শর্তসাপেক্ষে উপহার এর মত। অথচ গিফট হতে হবে উইদাউট কন্ডিশন।

রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, 'তোমরা পরস্পরকে উপহারাদি বিনিময় করো, এতে তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি হবে' (আদাবুল মুফরাদ। ৫৯৭।

আবার রাসূলুল্লাহ (সা) গিফটকে তুচ্ছ বলে হেয় করতেও নিষেধ করেছেন। (সহিহ মুসলিম: ২২৬৯)

আর এই যে জন্মদিন উপলক্ষ্যে যে খাবার দাবারের আয়োজন হয়, পার্টি দেওয়া হয়, সেটা জন্মদিন উপলক্ষ্যে হতে হবে কেন? মানুষকে খাওয়ানোকে রাসূলুল্লাহ (সা) ইসলামের মধ্যে সর্বোত্তম কাজ বলে অভিহিত করেছেন। (সহিহ বুখারী: ১২)

তবে সেটা কেন বছরে একদিনই হবে। আমার মনে হয়া জন্মদিন উপলক্ষ্যে মানুষকে খাওয়ানো, সেদিন এক্সট্রা ইবাদাত করা এগুলোর সাথেও হয়তো কোনো ধর্মবিশ্বাস (ইসলাম ব্যতীত) জড়িত। যেমন- ইহুদি রাব্বি Yissocher Frand এর মতে- কারো জন্মদিন হলো তার কাছে স্পেশাল দিন, এইদিন সে যা প্রার্থনা করবে সবই গ্রহণ করা হবে।

[Archieve/ Kabbalas hatorah at three landmark Flatbush yeshivosl

-আর অ্যামেরিকার শয়তান উপাসকদের চার্চের প্রতিষ্ঠাতা এন্টন জান্দর লেভেই এর মতে- শয়তান উপাসকদের কাছে সবচেয়ে বড় দিন হলো একজনের নিজের জন্মদিন। [The Satanic Bible, Anton Szandor LaVey, Page 96]

রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন, অবশ্যই তোমরা তোমাদের পূর্ববর্তী জাতির অনুসরণ করবে বিঘত-বিঘত এবং হাত-হাতের সমপরিমাণ। এমনকি তারা যদি সাপের গর্তে প্রবেশ করে, তা হলে তোমরাও তাদের পেছন পেছন যাবে। সাহাবায়ে কেরাম (রা) বললেন, 'হে আল্লাহর রাসূল। আপনি কি ইহুদি ও নাসারাদের অনুকরণ করার কথা বলছেন?' নবী করিম (সা) বললেন, 'তবে আর কার?' (বুখারি: ২৬৬৯)

-অন্য একটি হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেন, 'যে ব্যক্তি যে জাতির নমুনা অবলম্বন করবে, সে ব্যক্তি সেই জাতিরই দলভুক্ত।' (সহিহুল জামে: ৬০২৫)

-নবী করিম (সা.) আরও বলেন, 'সে ব্যক্তি আমার দলভুক্ত নয়, যে আমাদের ছেড়ে অন্য কোনো জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করে। তোমরা ইহুদিদের সাদৃশ্য অবলম্বন কর না, খ্রিস্টানদেরও সাদৃশ্য অবলম্বন কর না।' (সিলসিলাহ সহিহ্য। ২১৯৪)

-মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তার অনুসরণ কর। তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য কারও অনুসরণ কর না। তোমরা খুব অল্পই উপদেশ গ্রহণ কর। (সূরা আরাফ-৩)

-তাই জন্মদিনে ফেসবুকে কাউকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো, আত্মীয় ও বন্ধু-বান্ধব একত্রিত হয়ে উৎসবের আয়োজন করা, বিশেষ দোয়া, সালাম বা উপহার প্রদান করা, বয়স অনুপাতে মোমবাতি জ্বালিয়ে তা ফুঁ দিয়ে নেভানো, কেক কেটে খাওয়া ইত্যাদি কাজ কোনো মুসলিমের দ্বারা সংঘঠিত হতে পারে না।

তা ছাড়া জন্মদিনে খুশি হয়ে আনন্দ-উৎসব করা একধরনের হাস্যকর বিষয় ও বোকামি ছাড়া কিছুই নয়। কারণ জীবন থেকে একটি বছর করে গেলে তার জন্য আক্ষেপ বা দুঃখ করা উচিত, এই ভেবে যে- জীবনের এ মূল্যবান সময়কে আমি কতটুকু প্রপার ইউটিলাইজ করতে পেরেছি। ক্রমশ আমরা মৃত্যুর নিকটবর্তি হচ্ছি। এরজন্য আমাদের প্রস্তুতি কতটুকু। কোনো মুসলিম ব্যক্তি অজ্ঞতা বশত। এমনটি করলে সেক্ষেত্রে করণীয়-

এ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট স্কলার- আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীলজুবাইল (সৌদি আরব) বলেন, অজ্ঞতা বশত কেউ জন্মদিন পালন করলে-

-তাকে নিষেধ করতে হবে এবং এ সম্পর্কে ইসলামের বিধান আনাতে হবে।

-কেউ যদি জন্ম দিনে উপহার নিয়ে হাজির হয়ে যায় বা উইশ করে আর তৎক্ষণাৎ প্রতিবাদ করলে বা উপহার ফেরত দিলে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে (সম্পর্ক নষ্ট হলে ইসলামের দাওয়াতের পথ বন্ধ হয়ে যাবে) তাহলে দাওয়াতের বৃহত্তর স্বার্থে আপাতত তার উপহার গ্রহণ করত। ধন্যবাদ জানানো যেতে পারে।

-তার কাছে ইসলামের বিধানটি সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করে বুঝাতে হবে, ইসলামে জন্ম দিবস পালন করা বা এ উপলক্ষে কোনো অনুষ্ঠান-আয়োজন করা, উপহার বিনিময় করা বৈধ নয়।

তাকে এটাও বলতে হবে যে, ভবিষ্যতে যেন সে আর কখনো এমটি না করে এবং নিজেও কোনো জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ না নেয়।

মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে, এ আত্মঘাতি, হাস্যকর ও অহেতুক বিদায়াতি কালচার থেকে বেরিয়ে আসার তাওফিক দান করুন। (আমিন)

তথ্য সূত্র: জন্মদিনের মর্মবাণী- আরিফুল ইসলাম

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪